BCS Exam Date 03-05-2019 : শেষ সময়ের শেষ কথা

BCS Exam Date পড়েছে ০৩ মে, ২০১৯। তাহলে সনাতন দা’র আড্ডায় পরিচালিত A 10 Day Crush Program এর পর ২৭ তারিখ থেকে ০২ তারিখ অর্থাৎ, BCS Exam Date 03 তারিখের আগ পর্যন্ত আপনি কী করবেন এবং পরীক্ষার হলে কী করবেন???

আপনারা যারা ১৬ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত সনাতন দা’র আড্ডায় পরিচালিত A 10 Day Crush Program এ অংশগ্রহণ করে নিজেকে 40 BCS Preliminary -র জন্য নিজেকে মোটামুটিভাবে Bullet-Proof করে ফেলেছেন, তাদেরকে জানাই আমার আন্তরিক ধন্যবাদ। এখন বাকি থাকল ২৭ এপ্রিল থেকে ০২ মে অর্থাৎ,

BCS Exam Date এর পূর্ব পর্যন্ত আমাদের Course of Action কী হবে?

BCS Exam Date,BCS Exam Result,Govt Job Circular,seat plan, 40 BCS Exam Date,40 BCS Exam Date 2019,40 BCS Exam Date And Schedule,40 BCS Exam Date And Schedule 2019,40 BCS Exam Schedule 2019,40 BCS MCQ Exam Date 2019,40 BCS MCQ Preliminary Exam Date,40 BCS Preli Exam Date 2019,40 bcs preliminary date,40 BCS Preliminary Exam Date,40 BCS Preliminary Exam Date 2019, 40th BCS Exam Date 2019,40th BCS Exam Date 2019 Bangladesh,40th BCS Exam Date 2019 has been published,40th BCS Exam Date And Schedule,40th BCS Exam Date And Schedule 2019,40th BCS Exam Schedule 2019,40th BCS MCQ Date 2019,40th BCS MCQ Exam Date 2019,40th BCS Preli Exam Date 2019,40th BCS Preliminary Date 2019,40th BCS Preliminary Exam Date 2019,bpsc.teletalk.com.bd exam date,bpsc.teletalk.com.bd exam date 2019,Exam Date of 40 BCS Preliminary 2019,Exam Date of 40th BCS Preliminary, Exam Date of 40th BCS Preliminary 2019,Exam Date of 40th BCS Preliminary BD,probable date of 40th bcs,probable date of 40th bcs 2019,probable date of 40th bcs preliminary,www.bpsc.gov.bd Exam date,www.bpsc.gov.bd exam date 2019

আমরা কি হাল ছেড়ে দিয়ে দেশান্তরী হব, নাকি বাঘের মত নদী সাঁতরাবার চেষ্টা করব। আমার এই পোস্ট তাদের জন্য যারা আমার মত দুর্বল শ্রেণির। সবল শ্রেণির কথা আমি বলছি না। আরও একটা কথা, আমার এ লেখা যারা মাত্রাতিরিক্ত BCS রোগাক্রান্ত তারা অনুগ্রহ করে এড়িয়ে যাবেন।কোন কিছু নিয়ে বেশি সিরিয়াস – রোগেরই লক্ষণ।

BCS Exam Date এর আগে আজ যা লিখব তাতে হয় তো অনেকেই আমার উপর নাখোশ হবেন- বলবেন, কী সব আবোল-তাবোল লিখেছে। শালার খেয়ে-দেয়ে কোন কাজ নাই তাই এইসব বাল-ছাল লিখে বেড়ায়। ছাল ছাড়িয়েই তাহলে প্যাচাল পারা শুরু করি-

অনেকে বলেন এবং বলবেন, BCS Exam Date এর অন্তত ১০দিন আগে থেকে হ্যান করা যাবে না, ত্যান করা যাবে না; ফোনের কলাপসিবল গেট বন্ধ করে দিতে হবে; বন্ধু-বান্ধবের সাথে আড্ডা তো দূরের কথা, মুখদর্শনও অন্নপাপ(বিলাসী, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়); বিনা প্রয়োজনে ‘ওগো, আজ তোরা যাসনে্‌ ঘরের বাহিরে’(আষাঢ়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর); পড়ার মাঝে Casio ঘড়ি ধরে ৫/১০ মিনিট গ্যাপ দিবেন; একটু হাটাহাটি করবেন(যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের এক মহা সুযোগ); সকালে হালকা জলযোগ করে পড়তে বসবেন(জলবিয়োগ করবেন কি-না সেটা একান্তই আপনার বিষয়) ইত্যাদি, ইত্যাদি। আমি বলি কী-

আরে ভাই, We are human being- not a robot. চাকরি আমাদের আন্ডারওয়্যারের মতই প্রয়োজন- এটা ছাড়া চলবে না। তাই বলে একজন মানুষ হিসেবে অন্য সবকিছুকে অবহেলা করতে পারি না। যদি অবহেলা করতেই পারি তাহলে একদিন হয় তো অনেককিছুই পাব, কিন্তু যে আমি প্রকৃতই ‘আমি’, সে ‘আমি’ কে পাব না। এটা সত্য –‘যার হয়, তাঁর হয়’(শেষের কবিতা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), যার হয় না বা হবে না, সে হাজার চেষ্টা করলেও হবে না।  তাই পড়ার ক্ষেত্রে এত আইন-কানুন করে কোন লাভ নেই। বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো হয়ে যাবে। আপনাকে কেন অন্যের মত হতে হবে? আপনি কেন আপনার মত নয়?

স্বাভাবিকভাবে পড়াশোনা করেন। বেছে বেছে পড়েন। যখন যেটা পড়তে ইচ্ছা করে পড়ুন। ইচ্ছা না করলে কিছু সময়ের জন্য ছেড়ে দিন। যদি মাঝরাতে ঘুম ভেঙে পড়তে ইচ্ছা করে- পড়ুন। আইন-কানুন মেনে পড়তে গেলে আপনার নিজেকে মনে হবে আমাশয়ের রোগী। তিন বেলা থানকুনি পাতার ঝোল, অ্যামোডিস আর বাকিটা নাই বা বললাম।

আমি নিজের চোখে অনেককেই দেখেছি BCS, BCS করে মাথা খারাপ করে ফেলেছে, চেয়ারের সাথে পাছার চামড়া এমনভাবে মিশে গেছে যেন উঠতে গেলেই চেয়ারসুদ্ধ উঠে আসবে। ফলাফল- কোন কিছুই ছিড়তে পারেনি। ৫ বার ভাইভা দিয়েও কাজ হয়নি। এখন কোন এক ব্যাংকে ক্যাশে কাজ করছে। এও দেখেছি যে, সারাদিন হই হই করে রাতে রুমে এসে ঘণ্টা তিনেক পড়াশোনা করে ওই যে ঘুম দিত আর উঠতো বেলা ১২টায়। ক্যাডার!!! আরও দেখেছি, রেগুলার ঘণ্টা দুয়েক করে পড়ে গেছে, প্রেমিকাকে নিয়ে টই টই করে বেড়িয়েছে, আড্ডাবাজি করেছে, টিউশনি করেছে- সব করেছে। BCS Exam Date এর কয়েকদিন আগে থেকে তাস খেলার মচ্ছব বসিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। ক্যাডার!!!

মোটিভেশনাল পোস্ট গিলে গিলে আমাদের অনেকেরই পেটটা মোটা হয়ে গেছে কিন্তু মাথার খুপড়িতে স্বপ্ন ছাড়া কিছু  ঢোকেনি- চার আনার কাজও হবে না। এটা মেনে নিন যে, সবাই সফল হবে না। অনেকেই বিফল হবে বলে কেউ কেউ ক্যাডার হবে।আপনি হবেন কিনা, সেটা আপনিই ভাল জানেন। তাই সবকিছুর জন্যে প্রস্তুত থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আমরা জানতে পারি, তাও ফেসবুকের কল্যাণে যে, অমুক রেগুলার সাড়ে সাতাশ ঘণ্টা পড়াশোনা করেছে, তমুক মুততেও বের হয়নি। অনেক কষ্ট করেছে। এর বেশিরভাগই Newspaper এর TRP বাড়ানোর মত Eye-catching Headline. আরে ব্যাটা, কষ্ট না করলে কেষ্ট কী আপনি এসে ধরা দেবে! দিয়েছে কোন কালে! আমরা হাতে গোনা কয়েকজনের কথা জানতে পারি কিন্তু ৯৮%(অনুমিত) ক্যাডারের কথা জানতেই পারি না।

আপনি কি জানেন, প্রিলিতে যারা টিকবে তাদের একটা অংশ চাকরিজীবী। তাহলে এরা ৭/৮ ঘণ্টা সময় কই পায়? কারণ, আমি আজকে পর্যন্ত জানি যে, ২৪ ঘণ্টায় এক দিন। তাহলে ১০টা-৬টা, আসলে সকাল ৮টা থেকে মিনিমাম রাত ৯টা পর্যন্ত অফিস করে পড়ার জন্য এই ৭/৮ ঘণ্টা সময় তারা কই থেকে প্রসব করে? সত্যি বলতে কী, প্রসব করে না, ম্যানেজ করে – নিজস্ব কায়দায়।

এখানেই ‘লেগে থাকা’ বিষয়টা চলে আসে। চলে আসে টার্গেট। চলে আসে সময়কে সময়ের মত করে কাজে লাগানো। ‘এই ইলেক্ট্রিকের যুগ নারীকে মুক্তি দিয়েছে স্বামী সেবার দায় থেকে’(তোমার চোখ এতো লাল কেন, নির্মলেন্দু গুণ)। কিন্তু একটা ভাল, মানসম্মত চাকরি পাওয়ার দায় নির্দয় হয়ে যখন কারও উপর চেপে বসে, তাহলে অকর্মণ্য সময়গুলোই সবথেকে বেশি কাজের হয়ে ওঠে তার কাছে। এইক্ষেত্রে, সবথেকে বেশি সুবিধা পায় সদ্য পাশ করা বেকার ডিগ্রিধারীরা। কারণ, সময়টা তার হাতে তুলনামূলকভাবে বেশি। যে কৌশলে কাজে লাগায় বই তার নিত্যসঙ্গী আর যে অকাজে লাগায়, বাঁশ তার নিত্যসঙ্গী। তার মানে বই = বাঁশ। যাহোক, 40 BCS Exam Date যেহেতু সমাগত- এই দিনগুলোতে সে কী করবে? সে যা করবে-

১। নতুন করে কিছু পড়বে না।

২। A 10 Day Crush Program কে আরও একবার বা দুইবার রিভিশন দেবে। কারণ এই Crush Program এ আপনাকে মোটামুটিভাবে ব্যাসিকটা Build up করার চেষ্টা করা হয়েছে।

৩। রিভিশন দেয়ার সময় বিশেষ করে বাংলা এবং ইংরেজির ক্ষেত্রে Hypocrite টাইপের বানানগুলো খাতায় লিখবে। সালগুলোকেও খাতায় সমাধিস্থ করবে।

৩। কোন উত্তর সন্দেহজনক মনে হলে চেক করবে।

৪। কয়েকটা মডেল টেস্ট দেবে ঘড়ি ধরে। শেষ করবে ম্যাক্সিমাম ১ঘণ্টা ৪০মিনিটে। মার্কস তোলার চেষ্টা করবে ১৬৫+। প্রশ্ন উঠতে পারে যে, যেখানে উত্তরই জানি না, সেখানে মার্কস তুলব কী করে? উত্তর হচ্ছে- Process of Elimination accompanied by কমন সেন্স and ব্যাসিক। সেটা না থাকলে- ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন!

৫। ম্যাথ করবে মুখে মুখে। কারণ, বিসিএস প্রিলিতে যে ম্যাথ আসে তা প্রকৃত অর্থে কোন ম্যাথ নয়- General Knowledge. খাতার একটামাত্র পৃষ্ঠাতে কমপক্ষে ৪০টা ম্যাথ করার চেষ্টা করবে- শর্ট-কাটে। তাও করবে অফিসে কাজের ফাঁকে। আপনি যদি খুবই সংক্ষেপে একটা পেজে ৪০+ ম্যাথ বা Mental Ability Solve করতে পারেন, তাহলে বিশ্বাস করুন, আপনি একটা মাল! আপনার মনযোগ অসাধারণ। একেবারে লক্ষ্যভেদী অর্জুনের মত।

৬। জানা তথ্যগুলোকে একটার সাথে অন্যটাকে রিলেট করবে।

এভাবেই প্রিয়তমার ভীরুপায়ে যমদূতের মত কাছে চলে আসবে –

প্রত্যাশিত BCS Exam Date ৩ মে, ২০১৯

টেনশন বাড়ছে ‘বিদ্যুতের মত ক্ষিপ্রগতিতে’(আমি কিংবদন্তির কথা বলছি, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ(!))। স্বাভাবিক। বরং ওটা না বাড়লে নিজেকে আপনার মানুষ বলেই মনে হবে না। আমি বললেও কমবে না, না বললেও কমবে না।

যতই ফ্রেশ ঘুমের কথা বলি, ও জিনিস পরীক্ষার আগের রাতে পাবেন না। ঘুম পগার পার। গোল্লায় যাক্‌। ঘুম হোক আর না-ই হোক, সকালে ফ্রেশ হয়ে আগেই গুছিয়ে রাখা আপনার পরীক্ষা সংক্রান্ত স্থাবর মালামাল – প্রবেশপত্র, কলম, পেনসিল, টিস্যু পেপার ইত্যাদি বগলদাবা করে কেন্দ্রের উদ্দেশে উড়াল দিন। ঢাকা শহরের সৌন্দর্য – জ্যাম লাগার আগেই পৌছে যান কেন্দ্রে। গিয়ে দেখবেন যে, অনেক পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী। সে এক এলাহী কাণ্ড। এমনভাবে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স আর নোট খাতা গোগ্রাসে গিলছে যেন আর মাত্র ১০টা দিন সময় পেলে সারাজীবনের পড়ার গুষ্ঠীর ষষ্ঠী পুজো করে দিত।  আসলে এদের Confidence লবনের অভাব আছে। বিষবৎ পরিত্যাজ্য। তবে কান খাড়া করে রাখুন। সুফল পাবেন।

১। পরীক্ষা দিবেন আনন্দের সাথে। বদনখানা মুখপোড়া হনুমানের মত করে, কেন্দ্রের আশেপাশে পড়াশোনার মচ্ছব দেখে নিজের ভিতরের কলকব্জাগুলো ঢিলে করার কোন মানে নেই। আপনি বিশ্বাস করবেন কি-না জানি না, যেকোন পরীক্ষার প্রিলি দেয়া আমার কাছে খুবই আনন্দের বিষয়- যেন একটা উৎসব। একটা ঘটনা বলি-

আমি তখন Standard Bank এর প্রিলি দিচ্ছি ঢাকা কলেজে। দেখি আমার পাশের জন ক্যালকুলেটার এনেছে দুইটা। আমি কোন ক্যালকুলেটার নেইনি। সে অবাক বিষ্ময়ে আমাকে জিজ্ঞেস করল, ‘ভাই, আপনি ক্যালকুলেটার আনেননি? অংক করবেন কীভাবে?’ আমি বললাম, ‘ভাই, আমার ক্যালকুলেটার নাই। আর যে ম্যাথ আসবে তাতে ক্যালকুলেটারের কী প্রয়োজন! আমি যখন অংক করি আপনি দেইখেন।’

আমি তার আগে অংক করে উত্তরগুলো বলে দিয়ে হল থেকে বেরিয়ে আসি। আমার অপস্রিয়মান ছায়ার দিকে সে তাকিয়ে ছিল কি-না, জানি না। তবে আমার চাকরিটা হয়নি। ভাইভাতে বলেছে,‘আপনি আসতে পারেন।’ আমিও সিগ্রেট ফুঁকতে ফুঁকতে এসে পড়েছি। এ নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথাও হয়নি। যে দিন চলে যায়, তাকে নিয়ে ভাবার মত কোন ইচ্ছা এবং সময় কোনটাই আমার নেই এবং থাকবেও না। আমার কমদামী Dictionary -তে ‘আফসোস’ বলে কোন শব্দ নাই, ‘পরশ্রীকাতরতা’ বলে কোন শব্দ নাই।

২। পরীক্ষার হলে Time Management খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে আপনি যদি আগেই গোঁ ধরে থাকেন যে, অমুক বিষয়ে আপনি একেবারে হাফেজ!!! অমুক বিষয় দিয়েই বিসমিল্লাহ করবেন এবং অমুক বিষয়ের প্রশ্ন যদি আপনার জন্য ক-অক্ষর গোমাংসের মত হয় তাহলে Confidence এর Blood Pressure Low হয়ে যাবে। তাই যেখানেই ভাল ঝোঁপ, মেরে দিন কোঁপ। তবে কোনটা দাগাচ্ছেন আর কোনটার লজ্জা কালিতে ভাঙছেন না, তা হিসেব করে রাখবেন।

৩। সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে রেকর্ড তো রেকর্ড, সিডি প্লেয়ারই ভেঙে ফেলব- এই ধনুর্ভাঙা পণ করে ভীষ্মদেব হতে যাবেন না। ২ ঘণ্টায় ২০০ Question উত্তর করা মানবকূলের কারও দ্বারাই সম্ভব হবে না। ১৭০-১৮০ সর্বোচ্চ। শুধু নিশ্চিত হয়েই উত্তর দিন। BCS Preliminary- এর Syllabus এবং Question Materials এত ব্যাপক যে আপনাকে বাঁশ দেয়ার জন্য ২০টা Confusing Question ই কাফি!!!

৪। ম্যাক্সিমাম Examinee মোটামুটি Preparation নিয়েই ৯০/৯৫ পাবে, যদি কিনা Question মোটামুটি টাইপ হয়। কিন্তু ৯০/৯৫ এর পরে একটা একটা করে মার্কস যোগ করতে লাল সুতো দৃশ্যমান হয়ে যাবে। আপনাকে ১২৫+- পেতে হবে।

৫। পরীক্ষার ১ ঘণ্টা ২০/৩০ মিনিট পরে একবার Count করে দেখুন যে, Pure Marks কত এসেছে। যদি Confirm ১২৫+ হয়, তাহলে এদিক-ওদিক তাকিয়ে হলের নানাবিধ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। আর যদি দেখেন যে, ৯০/৯৫ হয়েছে তাহলে মাথা ঠাণ্ডা করে Confusing Question গুলোতে হাত দিন। এখানে সবথেকে বেশি কাজে আসবে আপনার ২৫ বছর ১০দিনের অভিজ্ঞতা(২৫ বছর একাডেমিক + ১০ দিনে আপনি যা পড়েছেন), আর যুক্তি দিয়ে সিদ্ধান্তে পৌছানোর ক্ষমতা। যাকে বলে Process of Elimination. আপনি করবেন কী, যুক্তি দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে, Common Sense দিয়ে ৪টা অপশন থেকে বাদ দিতে দিতে একটাতে পৌছাবেন। এভাবে কিছু মার্কস আপনি পেতে পারেন। যে প্রশ্নের অপশনগুলো একেবারেই এলিয়েন- তাকে প্রথমেই খোদা হাফেজ বলে দিন। আর যদি দেখেন যে, আপনার দৌড় ৮০ পর্যন্তই যাচ্ছে না, তাহলে মহান আল্লাহর নামে টেস্ট কেস হিসেবে চালিয়ে দিবেন। এ যাত্রা আপনার জন্য না।

৬। কিছু প্রশ্নে দেখা যাবে যে, একাধিক উত্তর সঠিক। আমার ব্যক্তিগত অভিমত ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে প্রথম সঠিক উত্তরটাকেই মার্ক করব।

৭। অপশনগুলো কোন প্যাটার্নে আছে দেখে নিন। রসগোল্লা পূরণের সময় অপশনের নং দেখে তারপর পূরণ করুন। তা না হলে বাঁশ কিন্তু ২০০ Question জুড়েই ঘোরাফেরা করছে। জায়গামত যেতে একটু অসর্তকতাই যথেষ্ট। নিচের প্যাটার্নগুলো দেখুন-

 

 

 

৮। আবার দেখা যাবে যে, প্রশ্নে সঠিক উত্তর হারিকেন দিয়ে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে, না দাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।

৬। সবথেকে বড় কথা, আপনি ১৭০ পাবেন। কিন্তু  রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া বা রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুল করা বা সেট কোড ছাড়া উত্তরপত্র আর শাপলা চত্বরে পড়ে থাকা সনাতন দা’র হাতে মুড়ির ঠোঙা- একই কথা। এইক্ষেত্রে, সাধুগণ, অতিরিক্ত সাবধান!!!

শেষ কথা, BCS Exam Date এর এই কটা দিন কাজে লাগান। লেগে থাকুন। সাপের মত টার্গেটের মধ্যে মাথা ঢুকিয়ে দিন। আমাদের এলাকার বিখ্যাত সাগর সাপুড়ে, বর্তমানে তাবিজ বিক্রেতা, বলত- সাপ একবার কোন গর্তে মাথা ঢুকিয়ে দিলে আপনি যতই লেজ ধরে টানেন, সাপ ছিঁড়ে যাবে, মাগার মাথা বের হবে না। আমি কিন্তু লেগে ছিলাম। এই কটা দিন হাজার কাজ, সাংসারিক গোলযোগপূর্ণ আবহাওয়া, মেয়ের অসুস্থতা, বন্ধুদের সাথে আড্ডাবাজি সব সামলিয়ে ঠিকই নিয়মিতভাবে পোস্ট করে গেছি। আপনি পেরেছেন কি – A 10 Day Crush Program টা শেষ করতে???

আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করতে ফেসবুক আইকনে ক্লিক করুনঃ
Updated: May 17, 2019 — 9:55 pm

1 Comment

Add a Comment
  1. Thanks Sanaton da but we need also math With solution or not

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *